ফুটবলের কিংবদন্তী দিয়েগো মারাদোনা

পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে গত ২৫ নভেম্বর ওপারে পাড়ি দিলেন দিয়েগো মারাদোনা। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬০ বছর। কার্ডিয়াক অ্যারেষ্টে মারা যাওয়া এই ফুটবলার ছিলেন ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়।

তারই হাত ধরে ১৯৮৬ তে বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা। ফুটবল কীর্তির বাইরেও তিনি ছিলেন বর্ণিল চরিত্রের অধিকারী। ফুটবলকে বিদায় জানানোর পরেও যিনি ছিলেন আলোচনার তুঙ্গে।

দেশের হয়ে মোট ৪ টি বিশ্বকাপ খেলেন তিনি। জাতীয় দলে ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল।

৮৬’র বিশ্বকাপের পরের বিশ্বকাপেও দলকে তুলেছেন ফাইনালে। কিন্তু জার্মানির বিপক্ষে হেরে যায় আর্জেন্টিনা।

দেশের বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেওয়া মারাদোন ক্লাব ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সময় কাটিয়েছেন ইতালির নাপোলিতে। ইতালির ক্লাবটিকে জিতিয়েছেন সেরি আ শিরোপা।

এক নজরে দিয়েগো

  • ম্যারাডোনার জন্ম ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবরে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আইরেসের উপকণ্ঠে।
  • আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে ১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর মাত্র ১৫ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় তার।
  • জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে ৯১ ম্যাচ খেলেছেন তিনি, করেছেন ৩৪ গোল। দেশের হয়ে চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন ম্যারাডোনা।
  • বিশ্বকাপে কোনো দলের অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ম্যারাডোনার। ১৬টি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।
  • বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ২১টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
  • ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে মোট ৫৩ বার তাকে ফাউল করা হয়েছিল।
  • ম্যারাডোনার অধিনায়কত্বে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয় করে আর্জেন্টিনা।
  • ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে হাত দিয়ে গোল করেন ম্যারাডোনা। যা হ্যান্ড অফ গড নামে পরিচিত।
  • ২০০৮ সালের অক্টোবরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নেন।
  • ম্যারাডোনার বাহুতে আছে চে গেভারা এবং বাঁ পায়ে আছে ফিদেল কাস্ত্রোর ট্যাটু।
  • আর্জেন্টিনোর জুনিয়র্স নিজেদের স্টেডিয়ামের নাম দিয়েছে ইস্তাদিও দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা।
  • হ্যান্ড অব গড-গোলের চার মিনিট পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন ম্যারাডোনা।ফিফা এ গোলটিকেই ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে ঘোষণা করে।
  • ম্যারাডোনা ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় যিনি ট্রান্সফার ফির রেকর্ড দুইবার ভেঙেছেন।
  • ম্যারাডোনা ১৯৮৪ সালে আইরেসে ফিয়ান্সি ক্লদিয়া ভিয়াফানিয়েকে বিয়ে করেন। ভিয়াফানিয়ের বিচ্ছেদ হয় ২০০৪ সালে। ম্যারাডোনার সঙ্গে নানা সময়ে দেখা মিলেছে একাধিক বান্ধবীর


শেয়ার করুনঃ
আরো পড়ুনঃ  পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাটির মসজিদ