পৃথিবীতে অবস্থিত কিছু ভয়ংকর স্থান

আমাদের পৃথিবী অনেক বৈচিত্রময়। এখানে যেমন রয়েছে সুন্দরতম স্থান তেমনই রয়েছে ভয়ংকরতম স্থান। সুন্দর স্থানগুলো ভ্রমণ করতে চাইলেও ভয়ংকর স্থানগুলোতে আপনি স্বপ্নেও যেতে চাইবেন না। পৃথিবীর এমনই কিছু ভয়ংকর স্থান নিয়ে আজকের আর্টিকেল।

ভ্যালি অফ ডেথ


ভ্যালি অব ডেথ বা মৃত্যুর উপত্যকাটি রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের পুর্বে কেহিন্নাইক আগ্নেয়গিরির পাদদেশে অবস্থিত।
রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের পূর্বাংশে রয়েছে কেহিন্নাইক আগ্নেয়গিরি। এর পাদদেশে তৈরি হয়েছে এ মৃত্যুর উপত্যকা।

এখানকার বিষাক্ত বাতাস আপনাকে অসুস্থ করে ফেলা শুধু সময়ের ব্যাপার। মুলত এই বিষাক্ত বাতাসের উৎস আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত কার্বন ও হাইড্রোজেন সালফাইড। এখানকার বহু প্রাণী এই বিষাক্ত বায়ুর প্রভাবে মারা যায়।

স্ন্যাক আইল্যান্ড, ব্রাজিল

ব্রাজিলে অবস্থিত এই দ্বীপটি সাপের রাজত্য বলা যেতে পারে। এর যেদিকেই যাবেন শুধু সাপ আর সাপ। দ্বীপটিতে রয়েছে অনেক বীরল প্রকৃতির সাপ।

এই দ্বীপে যারা গিয়েছেন এর খুব অল্পসংখ্যক জীবিত ফিরেছেন। ব্রাজিল সরকার দ্বীপের সাপ সংরক্ষনের জন্যে দ্বীপে পর্যটক প্রবেশ নিষেধ করেছে।

আরো পড়ুনঃ  ইন্টারনেটে কিছু মজার ওয়েবসাইট

ডোর টু হেল

তুর্কমেনিস্তানের কারা-কুর মরুভুমির দারভাজা গ্রামের পাশের অবস্থিত এই ডোর টু হেল বা বাংলায় নরকের দরজা। এটি মুলত একটি কুপ।

১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি গ্যাস কোম্পানি এই কুপ খনন করে।

খনন কালীন সময় বিস্ফোরনে বন্ধ হয়ে যায় পুরো প্রকল্পটি। এসময় অনেক মানুষ মারা যায়।

বিস্ফোরনে সৃষ্ট গর্ত থেকে ক্রমাগত মিথেন গ্যাস নির্গমনে এর তাপমাত্রা এতটাই বেশি থাকে যে এর পাশে কয়েক সেকেন্ড ও দাড়ানো সম্ভব না। এর পর থেকেই এই স্থানটি নরকের দরজা হিসেবে পরিচয় পায়।

মাউন্ট হুয়া শান

মাউন্ট হুয়া শান হুয়াইন শহর থেকে ১২০ কিমি পূর্বে অবস্থিত। চীনের বৃহত্তম পাহাড়গুলির মাঝে অন্যতম এটি। পাহাড়ের পশ্চিম চুড়ায় স্থাপিত মন্দিরটি খ্রীষ্ট ধর্মের আবির্ভাব থেকে ২শত বছর পুরানো।

তাওবাদী ধর্মানুসারীরা বিশ্বাস করে এই মন্দিরে দেবতারা বসবাস করে এবং মানুষের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা সেখানে চলে যায়। এই মন্দিরে পৌছাতে হলে আপনাকে ৯০ ডিগ্রী বাঁকা সিঁড়ি দিয়ে যেতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলঃ বিজ্ঞান নাকি অলৌকিক

এ্যালিফেন্ট কিংডম

ভাবুন তো আপনার চারপাশে শুধু কুমির আর কুমির কেমন লাগবে আপনার!?

আর যদি মুখামুখি হতে হয় ক্ষুধার্ত কুমিরের তাহলে তো আর কথাই নেই ।
এরকমই এক ব্যতিক্রমি বিনোদন কেন্দ্র হল থাইল্যান্ডের এ্যালিফেন্ট কিংডম ওয়াটার পার্ক।

লেকের উপড় দর্শনার্থীদের জন্য মাচার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। পর্যটকরা চাইলে খাবারও দিতে পারেন কুমিরগুলোকে।