রাণী এলিজাবেথ সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

এলিজাবেথ আলেকজান্দ্রা মেরি বা দ্বিতীয় এলিজাবেথ (ইংরেজি: Elizabeth II) তার জন্ম: ২১ এপ্রিল, ১৯২৬।

তিনি হচ্ছেন বিশ্বের ১৬টি সার্বভৌম রাষ্ট্র, অর্থাৎ কমনওয়েলথ রাষ্ট্রসমূহের বর্তমান রাণী ও রাষ্ট্র প্রধান।

কমনওয়েলথ রাষ্টসমূহ হচ্ছে: যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, নিউজিল্যান্ড, জামাইকা, বারবাডোস, বাহামাস, গ্রেনাডা, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টুভালু, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন, বেলিজ, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা এবং সেন্ট কিট্‌স ও নেভিস। 

কমনওয়েলথ প্রধান ছাড়াও তিনি ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট কমনওয়েলথ অফ নেশনসেরওপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কমনওয়েলথ অফ নেশনসের মধ্যে ভারত বর্ষের ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ আরও ৫১টি দেশ এ সংস্থার অন্তর্ভূক্ত। মূলত ব্রিটিশরাপূর্বে যেসব দেশ শাসন করেছেন তারাই এই সংস্থার অন্তভূর্ক্ত।

দ্বিতীয় এলিজাবেথ যুক্তরাজ্যের শাসনকর্তা এবং চার্চ অফ ইংল্যান্ডেরও প্রধান।

এছাড়াও রাণীর রয়েছে কিছু বিশেষ ক্ষমতা…

১. প্রথমত, তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি জায়গার মালিক। তার নামে রয়েছে ১৬ টি রাষ্ট্রের মালিকানা। এসব রাষ্ট্রগুলোকে কমনওয়েলথ রাষ্ট্র বলা হয়।

সব মিলিয়ে রাণী এলিজাবেথের রয়েছে ৬.৬ বিলিয়ন একর জায়গার মালিকানা।

২. ইংল্যান্ডের সমুদ্রতীরবর্তি ৩ মাইল জুড়ে থাকা সমস্ত ডলফিন এবং তিনির মালিকানা রয়েছে রাণী এলিজাবেথের।এমনি লন্ডনের টেমপস নদীর সকল হাঁস ও রাণীর সম্পত্তি।

৩. রাণী এলিজাবেথ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ী চালাতে পারেন।

যেহেতু ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু হয় রাণীর নামে তাই রাণীর নিজের লাইসেন্সের প্রয়োজন হয় না।

৪. যেকোন দেশ ভ্রমণের জন্য রাণী এলিজাবেথের পাসপোর্টের প্রয়োজন হয় না।

৫. বাকিংহাম প্যালেসে রাণীর পরিবারের জন্য নিজস্ব এটিএম মেশিনের ব্যবস্থা রয়েছে ।

৬. রাণীর ক্লান্তি দুর করতে প্যালেসে রয়েছে নিজস্ব কবি ও সাহিত্যিক

৭. পার্লামেন্টে পাস হওয়া সকল আইনের চুড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেন রাণী

৮. রাণীর আয়কর দিতে হয়না। যদিও তিনি ১৯৯২ সাল থেকে স্বেচ্ছায় আয়কর দিয়ে আসছেন।

৯. রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ অস্ট্রেলিয়ার ও রাণী। অষ্ট্রেলিয়া সরকারের যে কাউকে যেকোন সময় চাকরিচ্যুত করার ক্ষমতা রয়েছে তার।

১০. চার্চ অব ইংল্যান্ডের প্রধান তিনি

১১. সকল আইনের উর্ধ্বে রাণী এলিজাবেথ।তাকে কখনোই গ্রেফতার বা দন্ড দেয়া যাবে না।

১২. যুক্তরাজ্যের যে কোন মন্ত্রীকে নিযুক্ত ও অব্যাহতি দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে রাণীর। এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে ও অপসারনের ক্ষমতা রাখেন তিনি।

১৩. যুক্তরাজ্যে যুদ্ধাবস্থা জারি কিংবা অন্য কোন দেশে আক্রমন করার অনুমোদন সাক্ষর করেন তিনি।

মানে রাণীর অনুমোদন ছাড়া কোন যুদ্ধ করা যাবে না।

শেয়ার করুনঃ
আরো পড়ুনঃ  পৃথীবির যে ৫ টি জায়গায় কাজ করে না মধ্যাকর্ষণ শক্তি