সেরা পাঁচটি কোরিয়ান সিনেমা

বলিউড হলিউডের পাশাপাশি চাইনিজ, তামিল, কোরিয়ান সিনেমাগুলোর দর্শক চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।সাউথ কোরিয়ান সিনেমার দৃশ্যপট, গল্প , অভিনয় কেমন সেটা সিনেমা প্রেমিদের বলতে হবে না। সেরা পাঁচটি কোরিয়ান সিনেমা থাকছে আজকের লিষ্টে যারা দেখেন নি দেখে নিতে পারেন।

The Admiral

তালিকার প্রথমেই সবচেয়ে প্রিয় মুভি দ্যা এডমিরাল। ইতিহাস ও যুদ্ধের মিশ্রণে এক অনন্য গল্পের এই মুভি। কিম হান মিন এর পরিচালনায় ২০১৪ সালে মুক্তি পায় ২ ঘন্টা ৭ মিনিটের এই মুভিটি।

১৫৯৭ সালের মিয়গ্রিয়াং যুদ্ধের প্লটে নির্মিত কোরিয়ান সিনেমা টিতে এডমিরাল চরিত্রে অভিনয় করেছে চই মিন সিং।

এডমিরাল য়ুন সান মাত্র ৩৩ টি যুদ্ধ জাহাজ নিয়ে প্রতিপক্ষের ৩৩০ টি জাহাজ ঘায়েল করার এক অপুর্ব যুদ্ধের দৃশ্য রয়েছে সিনেমাটিতে।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় করা কোরিয়ান সিনেমা লিষ্টে প্রথমে রয়েছে এই সিনেমাটি।

War of the Arrows

২০১১ সালে কিন হান মিন এর পরিচালনায় মুক্তি পায় ২ ঘন্টা ৮ মিনিটের এই সিনেমাটি। আইএমডিবির রেটিং ৭.২ রয়েছে সিনেমাটির।

আরো পড়ুনঃ  সেরা কয়েকটি ফটো এডিটর অ্যাপস

নাম-ই ও জা-ইন তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তাদের বাবার এক বন্ধুর কাছে বড় হতে থাকে।

সবকিছু ঠিকঠাক মতই ছিল যতক্ষন না জা-ইন কে তার বিয়ের আগ মুহুর্তে কিডনাফ করা হয়।

বোন জা-ইন অপহরণের পর নাম-ই আর মঙ্গোলদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র যুদ্ধ।

Old Boy

২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি আইএমডিবি রেটিং ৮.৪ এ রয়েছে। ২ ঘন্টার এই সিনেমায় অভিনয় করেন চই মিন সিং।

বছরের পর বছর ধরে কোনও কারণ ছাড়াই বন্দী করে রাখা হয়েছিল তাকে। পরবর্তিতে তাকে একটি ফোন ,কিছু টাকা পয়সা আর দামি কিছু পোশাক দেওয়া হয় এবং ছেড়ে দেওয়া হয়।

জেল থেকে বের হয়ে সে খুজতে থাকে কে তাকে বন্দি করেছিল। যতক্ষণ পর্যন্ত লোকটিকে খোঁজে পায় এর মধ্যেই তার সাথে ঘটতে থাকে একের পর এক আরে খারাপ পরিনতি।

Memories of Murder

২০০৩ সালে মুক্তি পায় ক্রাইল জেনর সিনেমা মেমোরিজ অব মার্ডার। ১৯৮৬ সালের অক্টোবরে দুই জন নারীরে ধর্ষণ করে মাঠের পাশে ফেলে যায় খুনিরা।

আরো পড়ুনঃ  সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড

তদন্তে আসে স্থানীয় গোয়েন্দা সংস্থা পার্ক ডু ম্যান। এক বড় কেইস প্রথমবার পাওয়ায় সংস্থাটি ছিল খুবই আনন্দে।

কিন্তু বিপত্তি বাধল তখন যখন খুনীর কোন চিহ্ন বা শনাক্তের কোন কিছুই ফরেনসিকে পাওয়া গেল না।

এদিকে লাশের আশেপাশে পরিক্ষা করেও কোন প্রমান আলামত পাওয়া গেল না।

সবশেষে খুন দুটির রহস্যের গল্প নিয়ে শেষ হয় সিনেমাটি।

Burning

২০১৮ সালে মুক্তি পায় এই সিনেমাটি। জং সু’র অনেকদিন পর তার ছেলেবেলার বান্ধবী হাই-মি’র সাথে দেখা হয়। প্রায়ই তাদের দেখা হত।

একদিন সিউল শহরের বাইরে ঘুরতে যায় হাই-মি। হাই-মি’র পোষা বিড়ালের দেখাশোনা করার জন্য রেখে যায় জং এর কাছে।

এদিকে ডেলিভারি বয় জং এর বাবা জেলে যাবার পর সংসারের দায়িত্ব পুরোপুরি জং এর।

হাই ফিরে এসে জং এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় তার বন্ধু বেন কে। বেন এর সাথে পরিচয়ের পর থেকেই শুরু হয় কিছু অদ্ভুব ঘটনা।

আরো পড়ুনঃ  পৃথিবীতে অবস্থিত কিছু ভয়ংকর স্থান

এক সময় জং বুঝতে পারে হাই বিপদে আছে শুরু হয় বেন এর হাত থেকে হাই কে বাচানোর শত চেষ্টা।